শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১২

১০৭) সূরা মাউন ( মক্কায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৭

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ

০১. আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?

فَذَلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ

০২. সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়

وَلَا يَحُضُّ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ

০৩. এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উসাহিত করে না।

فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ

০৪. অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,

الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ

০৫. যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;

الَّذِينَ هُمْ يُرَاؤُونَ

০৬. যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে

وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ

০৭. এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।

সমাপ্ত

১০৮) সূরা কাওসার ( মক্কায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৩

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ

০১. নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ

০২. অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।

إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ

০৩. যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।

সমাপ্ত

১০৯) সূরা কাফিরুন ( মক্কায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৬

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ

০১. বলুন, হে কাফেরকূল,

لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ

০২. আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।

وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ

০৩. এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি

وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ

০৪. এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।

وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ

০৫. তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।

لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ

০৬. তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।

সমাপ্ত

১১০) সূরা নছর ( মদীনায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৩

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

إِذَا جَاء نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ

০১. যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়

وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا

০২. এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,

فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّابًا

০৩. তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।

সমাপ্ত

১১১) সূরা লাহাব ( মক্কায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৫

বাংলাসহকার

 

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ

০১. আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,

مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ

০২. কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।

سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ

০৩. সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে

وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ

০৪. এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,

فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ

০৫. তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।

সমাপ্ত

১১২) সূরা এখলাছ ( মক্কায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৪

 

বাংলাসহকার

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ

০১. বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,

اللَّهُ الصَّمَدُ

০২. আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,

لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ

০৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি

وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

০৪. এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

সমাপ্ত

১১৩) সূরা ফালাক্ব ( মদীনায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৫

বাংলাসহকার

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ

০১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

مِن شَرِّ مَا خَلَقَ

০২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,

وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ

০৩. অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ

০৪. গ্রন্থিতে ফুঁকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে

وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

০৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

সমাপ্ত

১১৪) সূরা নাস ( মদীনায় অবতীর্ণ ) আয়াত - ০৬

 

  বাংলাসহ


بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরূ করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করূণাময়,অতি দয়ালু

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ

০১. বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

مَلِكِ النَّاسِ

০২. মানুষের অধিপতির,

إِلَهِ النَّاسِ

০৩. মানুষের মা’বুদের

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ

০৪. তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ

০৫. যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে

مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ

০৬. জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

সমাপ্ত

শুক্রবার, ১১ জুন, ২০১০

হাদিস নং: ৪৪০৩

অনুবাদ: হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- একদা এক ব্যাক্তি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে জি্জ্ঞেস করল, ইসলামের কোন কাজটি উত্তম? তিনি বেললেন- অপরকে খাওয়ার খাওয়ানো এবং যাকে চিন বা যাকে না চিন সবাইকে সালাম করা। (বুখারী ও মুসলিম)

⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎সমাপ্ত⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏

হাদিস নং: ৪৪০২

কিতাবুল আদাব/শিষ্টাচার পর্ব এর বাবু স্সালাম/সালাম অধ্যায়
০১:- অনুবাদ :- হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন আল্লাহ‍ু তায়ালা হযরত আদম (আঃ) কে তাঁর আকার আকৃতিতেই সৃষ্টি করেছেন। তাঁর দৈর্ঘ্য ছিল ষাট হাত। আল্লাহ‍ু তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করে বলেন যাও এবং অবস্থানরত ফেরেশতাদের ঐ দলটিকে সালাম কর। আর তারা তোমার সালামের কি জওয়াব দেয় তা মনোযোগ দিয়ে শ্রবন কর। কেননা , এটাই হবে তোমার এবং তোমার সন্তানদের সালামের প্রত্যুত্তর। অতপর আদম (আঃ) গিয়ে বললেন,‘আসসালামু আ’লাইকুম’, তাঁরা জবাব দিলেন- ‘আসসালামু আ’লাইকা ওয়া রাহমাতুল্লাহ’। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, তাঁরা ‘ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ অংশটি বৃদ্ধি করলেন। অতপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন- যে ব্যক্তিই বেহেশতে প্রবেশ করবে, সে হযরত আদম (আঃ) এর আকৃতিতেই বেহেশতে প্রবেশ করবে এবং সে দৈর্ঘ্য হবে ঘাট হাত লম্বা। তখন হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত সৃষ্টিকুলের দৈর্ঘ্য ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে আসতেছে। (বুখারী ও মুসলিম)

⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎⤎সমাপ্ত⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏⤏