কুরআন শরীফ,বুখারী শরীফ,মুসলিম শরীফ,নাসায়ী শরীফ,আবু দাউদ শরীফ,তিরমিযী শরীফ,ইবনে মাজাহ শরীফ
শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪
সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৪
ভরণ- পোষণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদ
: ০০০০/
পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করার ফযীলত । -
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৩/
পরিবার-পরিজনের উপর ব্যয় করা ওয়াজিব । -
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৪/ পারিবারের
জন্য এক বছরের খাদ্য সঞ্চয় করে রাখা এবং তাদের জন্য খরচ করার পদ্ধতি । -
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৫/ মহান আলআহর
বাণীঃ মাযেরা যেন তাদের সন্তানদের পূর্ণ দুইবছর দুধ পান করায়, সেই পিতার জন্য যে
পূর্ণ সময়কাল দুধ পান করাতে চায় . . . . . তোমরা যা কর আল্লাহ্ তা দেকেন । তিনি
আরও ইরশাদ করেনঃ তাকে গর্ভে ধারণ ও দুধ ছাড়ানোর সময় তিরিশ মাস । তিনি আরও ইরশাদ
করেনঃ যদি তোমরা অসুবিধা বোধ কর, তাহলে অপর কোন মহিলা তাকে দুধ পান করাতে পারে ।
সচ্ছল ব্যক্তি স্বীয় সাধ্য অনুসারে খরচ করবে . . . . প্রাচুর্য দান করবেন । ইউনুস
(রঃ), যুহুরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে , আল্লাহ্ নিষেধ করেছেন কোন মাকে তার
সন্তানের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ করা হবে না । আর তা হলো এরূপ যে, মাতা একথা বলে বসলো,
আমি একে দুধ পান করাব না । অথচ মায়ের দুধ শিশুর জন্য উৎকৃষ্ঠ খাদ্য এবং অন্যান্য মহিলার তুলনায়
মাতা সন্তানের জন্য অধিক স্নেহশীলা ও কোমল । কাজেই পিতা যথাসাধ্য নিজের পক্ষ থেকে
কিছু দেওয়ার পরও মাতার জন্য দুধ পান করাতে অস্বীকার করা উচিত হবে না । এমনি ভাবে
সন্তানের পিতার জন্যও উচিত নয়, সে সন্তানেরকারনে তার মাতাকে কষ্ট দেওয়া অর্থাৎ কষ্টে ফেলার উদ্দেশ্যে শিশুর মাকে দুধ
পান করাতে না দিয়ে অন্য মহিলাকে দুধ পান করাতে দেওয়া । হ্যাঁ, মাতাপিতা খুশি হয়ে
যদি কাউকে ধাত্রী নিযুক্ত করে, তবে তাতে কোন দোষ নেই । তেমনি যদি তারা উভয়ে দুধ
ছাড়াতে চায়, তবে তাতেও তাদের কোন দোষ নেই, যদি তা পারস্পরিক সম্মতি ও পরামর্শের
ভিত্তিতে হয়ে থাকে । - ও
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৬/ স্বামীর
অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ও সন্তানের খরচ । -
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৭/ স্বামীর
গৃহে স্ত্রীর কাজ কর্ম করা । -
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৮/ স্ত্রীর
জন্য খাদিম । -
পরিচ্ছেদ
: ২০৯৯/ নিজ
পরিবারে গৃহকর্তার কাজকর্ম । -
পরিচ্ছেদ
: ২১০০/ স্বামী যদি
(ঠিকভাবে) খরচ না করে, তাহলে তার অজান্তে স্ত্রী তার ও সন্তানের প্রয়োজনুপাতে
যথাবিহিত খরচ করতে পারে । -
পরিচ্ছেদ
: ২১০১/ স্বামীর
সম্পদ রক্ষনাবেক্ষণ ও তার জন্য খরচ করা । -
পরিচ্ছেদ
: ২১০২/ মহিলাদের
যথাযোগ্য পরিচ্ছদ দান । -
পরিচ্ছেদ
: ২১০৩/ সন্তান
লালন-পালনে স্বামীকে সাহায্য করা । -
পরিচ্ছেদ : ২১০৪/ নিজ পরিবারের জন্য অসচ্ছল ব্যক্তির খরচ । -
পরিচ্ছেদ
: ২১০৫/ ওয়ারিসের
উপরেও অনুরূপ দায়িত্ব আছে । মহিলার উপরেও কি এমন কোন দায়িত্ব আছে ? আর আল্লাহ্
তা‘আলা এমন দু‘ব্যক্তির দৃষ্টান্ত দিয়েছেন, যাদের একজন বোবা, কিছুই করতে সমর্থ নয়
। সে তার অভিভাবকের ওপর বোঝা স্বরূপ । -
পরিচ্ছেদ
: ২১০৬/ দাসী ও
অন্যান্য মহিলা কর্তৃক দুধ পান করানো । -
হাদিস নং: ৪৯৮১/২২হাদিস নং: ৪৯৬৩ (ভরণ- পোষণ অধ্যায়)
৪৯৬৩/০৪ মুহাম্মদ ইব্ন কাসীর (রঃ) ……… হযরত সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি
বলেনঃ আমি মক্কায় রোগগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার পরিচর্যার জন্য আসতেন
। আমি বললাম, আমার তো মাল আছে । সেগুলো আমি সব ওসিয়্যত করে যাই । তিনি বললেনঃ না ।
আমি বললামঃ তাহলে অর্ধেক ? তিনি বললেনঃ না । আমি বললামঃ তবে এক-তৃতীয়াংশ ? তিনি বললেনঃ
এক-তৃতীয়াংশ করতে পার । এক-তৃতীয়াংশই বেশী । মানুষের কাছে হাত পেতে ফিরবে ওয়ারিসদেরকে
এরূপ ফকীর অবস্থায় ছেড়ে যাওয়ার তুলনায় তাদেরকে ধনী অবস্থায় রেখে যাওয়া উত্তম । আর যাই
তুমি খরচ করবে, তাই তোমার জন্য সাদাকা হবে । এমনকি যে লোকমাটি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে
তুলে দিবে, তাও । আল্লাহ্ তোমাকে দীর্ঘজীবী করবেন এই আশায় । তোমার দ্বারা অনেক লোক
উপকৃত হবে, আবার অন্যেরা (কাফির সম্প্রদায়) ক্ষতিগ্রস্থও হবে ।
হাদিস নং: ৪৯৬৪ (ভরণ- পোষণ অধ্যায়)
৪৯৬৪/০৫ উমর ইব্ন হাফস (রঃ) ……… হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত ।
তিনি বলেন, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ উত্তম সাদাকা হলো যা দান করার পরেও মানুষ অমুখাপেক্ষী
থাকে । উপরের হাত নীচের হাতের চাইতে শ্রেষ্ঠ । যাদের ভরণ-পোষণ তোমার যিম্মায় তাদের
আগে দাও । (কেননা) স্ত্রী বলবে, হয় আমাকে খাবার দাও, নতুবা তালাক দাও । গোলাম বলবে,
খাবার দাও এবং কাজ করাও । ছেলে বলবে, আমাকে খাবার দাও, আমাকে তুমি কার কাছে রেখে যাচ্ছ
? লোকেরা জিজ্ঞাসা করলঃ হে আবূ হুরায়রা (রাঃ) আপনি কি এ হাদীস (রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)
থেকে শুনেছেন ? তিনি উত্তরে বললেন, এটি আবূ হুরায়রা জামবিলের নয় (বরং হুযূর (সাঃ) থেকে
)
- কারো কারো মতে “লা-) এর সম্পর্ক পূর্বের উক্তির সাথে । পূর্ণ হাদীস নবী (সাঃ) থেকে শ্রুত নয় বরং শেষ অংশ আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর নিজস্ব ব্যাখ্যা ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)







